কাতার ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স। দ্বিতীয়ার্ধে দেড় মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। অবশেষে ২-২ গোলে সমতা ফিরিয়েছে ফ্রান্স। ফলে অতিরিক্ত সময়ে গড়ালো আর্জেন্টিনা বনাম ফ্রান্সের হাইভোল্টেজ ম্যাচটি।
এর আগে প্রথমার্ধে মেসি ও ডি মারিয়ার গোলে এগিয়ে আছে আলবিসেলেস্তারা। গতবারের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স এই অর্ধে অনেকটাই ম্লান। আর্জেন্টিনার গোল পোস্টে একটি শটও নিতে পারেনি ফ্রান্স।
ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট দেখানো শুরু আর্জেন্টিনার। বেশকটি আক্রমণ করে দলটি। আসে গোলের সুযোগ। কিন্তু পূর্ণতা পাচ্ছিল না কোনো আক্রমণ। ৫ মিনিটে ম্যাচের প্রথম শট ম্যাক অ্যালিস্টারের। সরাসরি গোলকিপারের হাতে। ১০ মিনিট একটা সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। তবে কর্নারে প্রতিহত।
১৭ মিনিটে সংঘবদ্ধ আক্রমণে ডি মারিয়ার শট চলে যায় ফ্রান্সের পোস্টের ওপর দিয়ে। ২০ মিনিটে উল্লেখযোগ্য আক্রমণে যায় ফ্রান্স। বক্সের সামান্য বাইরে ফ্রি কিকে জিরুদের হেড অল্পের জন্য চলে যায় পোস্টের বাইরে দিয়ে।
২৩ মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে ফ্রান্সের ডি বক্সে ঢুকার চেষ্টা করেন ডি মারিয়া। ধাক্কা দিয়ে তাকে ফেলে দেন উসমান দেম্বেলে। পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ফরাসি গোলরক্ষক লরিসকে বোকা বানিয়ে মেসির গোল। আনন্দে মাতে টিম আর্জেন্টিনা।
৩৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে আর্জেন্টিনা। দারুণ পাল্টা আক্রমণে। মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে মেসির ম্যাজিক্যাল পাস। ম্যাক অ্যালিস্টারকে টেনে নিয়ে গেলেন অনেকদূর। তারপর দারুণ ক্রস। চলতি বলে শট করে ডি মারিয়ার গোল (২-০)।
প্রথমার্ধে ছয়টি শটের তিনটি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে আর্জেন্টিনা। এর মধ্যে দুটিতে গোল। অন্যদিকে ফ্রান্স গোল পোস্টে কোনো শটই নিতে পারেনি। আদায় করতে পারেনি কোনো কর্নারও। সেখানে আর্জেন্টিনা কর্নার পায় দুটি।
নয়াশতাব্দী/এমএস
মন্তব্য করুন
আমার এলাকার সংবাদ